আমাদের সম্পর্কে
সমিতির পরিচয়, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কেন্দ্রীয়, বিভাগীয় ও জেলা কমিটির তথ্য।
আমাদের পরিচয়
মসজিদের ইমাম-মুয়াযযিনগণকে সংগঠিত করে বাংলাদেশের মসজিদসমূহকে দ্বীনি দাওয়াত ও সমাজ উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার লক্ষ্যে সমিতি গঠিত হয়। মূলত ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদেরকে সংগঠিত রাখার উদ্যোগ নেন ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ। এরপর দেশের সকল ইমাম মুয়াযিনদের সংগঠিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
৩০ রবিউল আউয়াল-১৪০৪/২০ পৌষ-১৩৯০/৪ঠা জানুয়ারি-১৯৮৪; বুধবার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে জাতীয় সীরাতুন্নবী সা. মাহফিল ও ইমাম সম্মেলন শেষে প্রত্যেক জেলা থেকে আগত ইমাম প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি গঠন করা হয়। সমিতি গঠনের প্রথম অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষ আলেম উলামা ইমাম ও খতীবগণ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি কোন নির্দিষ্ট দল, ফেরকা বা মাসলাকের নয়। সমিতি এদেশের সকল ইমাম, মুয়াযযিন ও খাদেমের একক বৃহত্তর জাতীয় ও সর্বপ্রাচীন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক পেশাজীবি সংগঠন। সমিতি ইমামদের ঐক্যবদ্ধ করে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে।
আমাদের অর্জন
দেশের সিংহভাগ ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনকে নিয়ে একটি জাতীয় ভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলা।
মসজিদে নববীর আদলে মসজিদ গড়ে তোলার কর্মপদ্ধতি বই আকারে ও গঠনতন্ত্রে প্রকাশ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ইমামদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
কেন্দ্র থেকে শাখা পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রম তুলে ধরতে নিয়মিত মাসিক/ত্রৈমাসিক প্রকাশনা।
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য প্রথম খসড়া প্রণয়ন; ২০০৬ সালে গেজেট আকারে প্রকাশিত এবং ২০২৫ সালে পুনঃপ্রকাশিত।
সমিতির উদ্যোগে চালু হওয়া কার্যক্রম বর্তমানে দেশের প্রায় আশি হাজার মসজিদে চলমান।
সমিতির প্রথম দাবির প্রেক্ষিতে গঠিত ট্রাস্টের বর্তমান মূলধন প্রায় একশত কোটি টাকা।
ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ, গণশিক্ষা ও যাকাত কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা।
দুর্যোগে ত্রাণ ও শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের চিকিৎসা সহায়তা এবং ফিলিস্তিনি মুসলমানদের জন্য সাহায্য প্রেরণ।
যে লক্ষ্যে আমাদের কাজ
৪২ বছরের পথচলা
ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্র পর্যন্ত বিস্তৃত সংগঠন। বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সমিতির নিজস্ব জমি ও অফিস হয়েছে, আর ঢাকায় জমি কেনার প্রক্রিয়া চলছে।
ইতিহাস ও সাফল্য নিয়ে মহাসচিবের প্রবন্ধ →- ৪ঠা জানুয়ারি ১৯৮৪ (৩০ রবিউল আউয়াল ১৪০৪)সমিতির প্রতিষ্ঠা
সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে জাতীয় সীরাতুন্নবী সা. মাহফিল ও ইমাম সম্মেলন শেষে প্রত্যেক জেলার ইমাম প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গঠিত। প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মাওলানা আব্দুল জাব্বার চাখারী।
- ১৯৯৩মসজিদভিত্তিক শিক্ষা
মসজিদভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু; বর্তমানে ৭৩ হাজার কেন্দ্রে চলমান।
- ১৯৯৮ – ২০০১ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট
১৯৯৮ সাল থেকে দাবির পর ২০০১ সালে ট্রাস্ট গঠিত; তহবিল এখন প্রায় ১০০ কোটি টাকা।
- ২০০৩মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালার খসড়া
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের চাকরিবিধি হিসেবে সমিতি খসড়া প্রণয়ন করে।
- ২০০৫জঙ্গিবিরোধী খুতবা কর্মসূচি
সারা দেশে খুতবা, মিছিল ও তিন মাসব্যাপী প্রচারণা।
- ২০০৭নীতিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ
মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা গেজেট আকারে প্রকাশিত; এখন আইনে পরিণত করার আবেদন চলছে।
- ২০২০করোনাকালীন সেবা
সচেতনতা কর্মসূচি ও মৃতদের দাফনে অংশগ্রহণ।
- ২৪ অক্টোবর ২০২৬কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও জাতীয় ইমাম সম্মেলন
প্রত্যক্ষ ভোটে নতুন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্বাচিত।
জাতীয় উন্নয়নে মসজিদ ও ইমামদের ভূমিকা
পারিবারিক ভাঙন, মাদক, যৌতুক, দুর্নীতি, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন সমস্যায় খুতবা ও ওয়াজের মাধ্যমে সচেতনতা।
৯ ডিসেম্বর খতিব মাওলানা উবায়দুল হকের আহ্বানে সারা দেশে খুতবা ও মিছিল, তিন মাসব্যাপী প্রচারণা।
১৯৯৩ সাল থেকে প্রায় দুই কোটি শিশু প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা পেয়েছে।
ইউনিসেফের হিসাবে টিকাদান ও পোলিও কর্মসূচিতে মসজিদের ভূমিকা।
সচেতনতা কর্মসূচির পাশাপাশি মৃতদের দাফনে অংশগ্রহণ।
প্রথমে পৌরসভায়, পরে পুরো উপজেলায় শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিত হয়েছে।
বনায়ন, পরিবার কল্যাণ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইমামদের উদ্যোগ।
প্রতি জেলা থেকে একজন করে; এছাড়া সরকার শ্রেষ্ঠ ইমাম পুরস্কার দেয়।
ইউনিসেফের সহায়তায় বাল্যবিবাহ বিষয়ক পুস্তিকা ইমামদের মধ্যে বিতরণ।
“ইসলামের আলোকে জন্ম নিবন্ধন” বইটি বিনামূল্যে বিতরণ।
সিডর, রোহিঙ্গা সংকট, সিলেট, ফেনী-নোয়াখালী-কুমিল্লার বন্যা এবং চট্টগ্রামে ত্রাণ।
সব ফিরকা ও মাসলাকের ইমামদের এক মঞ্চে আনা হয়েছে।
اتفاق مع الاختلاف
মতপার্থক্য সত্ত্বেও ঐক্য, বৈচিত্রের মাঝে ঐক্যের সুর।
আমরা ঐক্যের জন্য কাজ করি, আমরা দেশ ও জাতির শান্তি, স্বস্তি, সমৃদ্ধি, সম্প্রীতি, নিরাপত্তা, শৃংখলা আর ইহসানের জন্য কাজ করি। আমরা কাজ করি মানবতার ইহ-পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিত করতে এবং অকল্যাণ দূর করতে। আমরা সকল প্রকার হঠকারিতা চরমপন্থা, উগ্রবাদ, সন্ত্রাস ও বিশৃংখলার ঘোর বিরোধী। আমরা আমাদের দেশের স্বাধীনতার সুরক্ষায় সদা তৎপর। আমরা মহান আল্লাহর জয়গানে সদা সরব। বিশ্বনবীর আদর্শের অনুসারী। আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অনুগামী।
আরো ৬টি লক্ষ্য বাস্তবায়নে নিরন্তর কাজ
আলেম উলামা, ইমাম মুয়াযযিনদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যে লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে সমিতি কাজ করছে:
সরকার কর্তৃক গেজেট আকারে প্রকাশিত মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংস্কার, আইনে রূপান্তর এবং বাস্তবায়ন করা।
মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৬ এ-সরকার কর্তৃক ঘোষিত বেতন স্কেল সারাদেশে বাস্তবায়ন করা।
ইমাম মুয়াযযিন কল্যাণ ট্রাস্টকে আরো সমৃদ্ধ করে দেশের ইমাম মুয়াযযিন ও খাদিমদের জন্য পেনশন স্কীম চালু করা, ইমাম মুয়াযযিন কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রয়াস জোরদার করা এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং সম্প্রসারণ করা। প্রাক-প্রাথমিক ও প্রথম শ্রেণি এবং দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত তিনটি ক্লাস সারা দেশের সকল মসজিদে চালু করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো।
একটি বুদ্ধিদীপ্ত, তথ্য প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিজ্ঞান সমৃদ্ধ, নৈতিক মানে উন্নীত জাতি গঠনের লক্ষ্যে মানুষের জীবনব্যাপী শিক্ষার ধারা অব্যাহত রাখার জন্য প্রতিটি মসজিদ ও পরিবারে পাঠাগার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করা।
প্রতিটি প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলাম শিক্ষা দানের জন্য যোগ্য আলেম নিয়োগ প্রদান করা।
পাঁচটি কর্মসূচি
ঈমান, আমল, দাওয়াত, উখুওয়াত ও তানযীম: বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির পাঁচটি কর্মসূচি এবং এগুলো নির্ধারণের যৌক্তিকতা।
একজন মানুষের জীবনের মূল সম্পদ হলো ঈমান।
আমল ছাড়া ঈমানের দাবি কার্যকর হয় না। তাই ঈমান ও আমলকে ইমাম সমিতির প্রধান দু'টি কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
ইসলাম শুধুমাত্র ব্যক্তিকেন্দ্রিক ধর্ম নয়; নিজেকে আল্লাহর বান্দা হিসেবে তৈরি করার পর অপরকেও এর দাওয়াত দেয়া অপরিহার্য।
মুসলমানদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে বিশেষত আলিম ও ইমামগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় মুকাম্মাল দ্বীন ও মুসতাকিল তাহযীব কায়েম করা।
নেতৃত্ব, আনুগত্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাংগঠনিক শক্তি অর্জন।
সমিতির সাংগঠনিক স্তরবিন্যাস
বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ১০টি সাংগঠনিক স্তর আছে যা পর্যায়ক্রমে কার্যকর হচ্ছে।
গঠনতন্ত্রে বর্ণিত বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যসমূহ ও কর্মসূচির সাথে একমত পোষণ করে যিনি বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সদস্য ফরম পূরণ করবেন তিনিই বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সাধারণ সদস্য বলে গণ্য হবেন।
- ১ইউনিয়ন/ওয়ার্ড শাখা
- ২উপজেলা/থানা/পৌরসভা শাখা
- ৩জেলা/মহানগর শাখা
- ৪বিভাগীয় শাখা
- ৫কেন্দ্রীয় সংগঠন
- ৬মজলিসে খাসالمجلس الخاص
- ৭মজলিসুল মাহিরীনالمجلس الماهرين
- ৮সকল স্তরে উপদেষ্টা পরিষদالمجلس الاستشاري
- ৯সাধারণ পরিষদالمجلس العام
- ১০স্থায়ী কমিটিاللجنة الدائمة
আমরা বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ছায়াতলে সমবেত হওয়ার জন্য বাংলাদেশের সকল আলিম উলামা, খতীব, ইমাম, মুয়াযযিন ও খাদেমদের উদাত্ত আহবান জানাই। তাই আসুন! ঐক্যবদ্ধ হই এবং মসজিদ ভিত্তিক শান্তি, স্বস্তি, নিরাপত্তা, সুখ সমৃদ্ধি আর ন্যায়-ইনসাফের সোনালী সমাজ গঠনে সম্মিলিত প্রয়াস চালাই।
সমিতির সাথে যুক্ত হোনস্বল্প মেয়াদী কর্মসূচি
সকল উপজেলা/থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন; মাসিক সভা, রেজুলেশন ও প্রত্যেক পদের দায়িত্বশীলের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
প্রতিটি শাখার জন্য নির্দিষ্ট অফিস ও ব্যাংক হিসাব, সদস্যদের মাসিক চাঁদা এবং এলাকার বিত্তবানদের তালিকা তৈরি।
মসজিদের সীমানার বাসিন্দাদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আর্থিক অবস্থার তথ্য সংরক্ষণ; সাহায্য তহবিল গঠন ও যাকাত আদায়।
নিয়মিত অধ্যয়ন, প্রত্যেকের নিজস্ব পাঠাগার এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ইমাম ও খতিবদের যোগ্যতা বাড়ানো।
দীর্ঘ মেয়াদী কর্মসূচি
- ১মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা সংসদে উত্থাপন করে আইনে পরিণত করা
- ২ঢাকায় কেন্দ্রীয় কমপ্লেক্স এবং বিভাগ ও জেলায় স্থায়ী অফিস ভবন নির্মাণ
- ৩সমিতি ও মসজিদকেন্দ্রিক কার্যক্রমের খবর প্রচারে ওয়েবসাইট
- ৪জুমার বিষয়ভিত্তিক খুতবা প্রচারে ইমাম টেলিভিশন চ্যানেল
- ৫ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের সাথে ইমাম কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ
- ৬মসজিদভিত্তিক গণশিক্ষা প্রাথমিকের তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বিস্তৃত করার দাবি
- ৭মুখপত্র ‘ইমাম বার্তা’র মানোন্নয়ন ও ব্যাপক প্রচার
- ৮সমিতির অরাজনৈতিক নীতি অক্ষুণ্ণ রাখা
- ৯স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে সুসম্পর্ক
- ১০ইমাম-মুয়াজ্জিনদের শেয়ারে স্থানীয় প্রকল্প ও ব্যবসার মাধ্যমে আর্থিক সচ্ছলতা
কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ২০২৬
২৪ অক্টোবর ২০২৬ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও জাতীয় ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলে প্রত্যক্ষ ভোটে নতুন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়।
সম্মেলনে ইমামদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, পেশাগত সমস্যার সমাধান, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ইমাম, আলেম-উলামা ও সমিতির নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন।